কলারোয়ায় স’মিলে অগ্নিকাণ্ড: ক্ষয়ক্ষতি

0
9
নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় কাঠের স’মিলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১১মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার একটু আগে কলারোয়া ফুটবল মাঠ সংলগ্ন আব্দুল ওহাবের মালিকানাধীন স’মিলে এ ঘটনা ঘটে।
অগ্নিকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলে কেউ ছিলেন না বলে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটে নি। ঘন্টাখানেকের মধ্যে স্থানীয় মানুষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ‘স’মিলে আগুন লাগার সাথে সাথে পুরো স’মিল এলাকা আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় স্থানীয় শত শত মানুষ পানি ও অন্যান্য ভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডের খবর শুনতে পেয়ে ঘটনাস্থলে সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিউট ছুটে আসেন। তবে তাদের আসার আগেই আগুন সিংহভাগই নিভিয়ে ফেলেন স্থানীয়রা।
এরআগে আগুন লাগার খবর পেয়েই বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আজিজুর রহমান জানান- ‘ধারণা করা হচ্ছে সর্টসার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে।’
স’মিলের মালিক আব্দুল ওহাবের বাড়ি উপজেলা সদর থেকে ১০/১৫কি.মি দূরে মানিকনগর গ্রামে। খবর পেয়ে তিঁনি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
কীভাবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে তা তিঁনি বলতে পারছেন না। তবে আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৬ লক্ষাধিক টাকা বলে তিঁনি জানান।
তিঁনি বলেন- ‘স’মিলের মেশিন-যন্ত্র, কাঠ পুড়ে গেছে। আমার এই মিলে প্রায় দুই শত শ্রমিকের কর্মসংস্থান। তাদের নিয়েই দুশ্চিন্তায় পড়েছি।’
প্রত্যক্ষদর্শী কলারোয়া বাজারের ব্যবসায়ী শেখ সেলিম হোসেন, শিশির বিশ্বাসসহ অন্যরা জানান, হঠাৎ করে স’মিলে আগুন লাগে। তখন একটা বড় আওয়াজ শোনা যায়। বহু দূর থেকেই আকাশের দিকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পাওয়া যায়। অনেকে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সহযোগিতা করেন।’
এসময় আশপাশের মানুষের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। আসবাবপত্র, তুলা, কম্পিউটারসহ ঘটনাস্থলের আশপাশের বহু দোকান থেকে তাৎক্ষনিক পণ্য সামগ্রী বাইরে এনে সামনের মাঠে রাখতে দেখা যায়। শত শত মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রণ ও আশপাশের দোকানের মালামাল সরিয়ে নিতে সাহায্য করেন।
এদিকে, কলারোয়ায় মাস ছয়েক আগে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হলেও আজ পর্যন্ত সেটা চালু হয়নি। এরই মধ্যে আজকের এই ঘটনা ছাড়াও  এক মাস আগে চান্দুড়িয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিলো।
অতিসত্বর কলারোয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনটি চালু করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে