বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

News Headline :
উন্নয়ন ও শান্তিতে থাকতে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহবান জানালেন সাবেক এমপি আশু তালায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস পালিত জনগণ সুযোগ দিলে দুর্নীতি নির্মূলে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো: এমপি প্রার্থী রবিউল বাশার শ্যামনগরে সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শ্যামনগরে সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শিশু ও যুবদের জন্য মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তুলতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পত্রদূতের উপদেষ্টা সম্পাদকের সুস্থ্যতা কামনায় তালা রিপোর্টার্স ক্লাব দলিতের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বোর্ড ফি বিতরণ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে “ ব্লু কার্বন” প্রকল্পের লার্নিং ও সভা সুন্দরবনে মৎসজীবিদের জন্য টেকসই মৎসসম্পদ এবং জলবায়ু পরিবর্তনে ব্লু কার্বন প্রতিবেশ বিষয়ে শেয়ারিং সভা

বিনাচাষে সূর্যমুখীর চাষ বিষয়ক মাঠ মূল্যায়ন প্রচারণা

ডেস্ক রিপোর্ট:

দক্ষিণাঞ্চলে আমন ধান কাটার পর বিস্তীর্ণ জমি পড়ে থাকে।  মাটি ও পানিতে লবণ থাকায় সহজে অন্য কোনো ফসল ফলানো কঠিন।  তবে বর্তমানে এসব জমিতে বিনা চাষে ডিব্লিং পদ্ধতিতে সূর্যমুখী চাষে সফলতা এসেছে।  নতুই এই প্রযুক্তি সমগ্র দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)। বিনা’র গবেষণা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে লবণাক্ত অঞ্চলে রোপা আমনের পর বিনাচাষে সূর্যমুখীর চাষ বিষয়ক মাঠ মূল্যায়ন প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭এপ্রিল) বিকেলে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সাহস ইউনিয়নে এই প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিএআরসির মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ হারুনুর রশীদ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএআরসি নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজমুন নাহার করিম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিনা’র প্রশাসন ও সাপোর্ট সার্ভিস বিভাগের পরিচালক, ড. মোঃ আজিজুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক  মো রফিকুল ইসলাম, পিসিইউ-বিএআরসি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মোঃ আশরাফুল আলম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ জামাল উদ্দিন, খুলনা কৃষি বিভাগের উপ পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম, বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরার ইনচার্জ  ড. শিল্পী দাস ও ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইনসাদ ইবনে আমিন।

এসময় কর্মকর্তারা কৃষকদের রোপা আমনের পর বিনাচাষে সূর্যমুখীর চাষ বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে জানান, এখানে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমন ধান কর্তনের পর ভিজা মাটিতে সূর্যমুখীর বীজ ডিবলিং পদ্ধতিতে বপণ করা হয়েছে। এরপর চারা গাছের গোড়া বেঁধে সার প্রয়োগ করা হয়েছে। গবেষণায় তিনটি জাত ব্যবহার করা হয়েছে। স্থানীয়, বারি সূর্যমুখী-২ এবং হাইসান-৩৩ এই তিনটি জাতের সবকটিতেই ফল এসেছে। এগুলোর মধ্যে হাইসান-৩৩ জাতের ফলন ভালো হয়েছে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে এ জাতের সূর্যমুখী বীজ কাটা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিএআরসি নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজমুন নাহার করিম বলেন, সূর্যমুখী একটি লবণ সহিষ্ণু ফসল।  ফলে খুলনা, সাতক্ষীরাসহ লবণাক্ত এলাকার জমিতে সূর্যমুখী চাষের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।  আমরা সূর্যমুখী চাষাবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করতে গবেষণার মাধ্যমে কৃষি বিভাগকে সহযোগিতা করছি।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Hostitbd.Com
Design & Developed BY Hostitbd.Com